আ’লীগ কর্মী রানা হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ

প্রকাশিত: ১১:০৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২, ২০২০

এম এ আলম চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আ’লীগ কর্মী আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রকাশ (রানা) হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে বুধবার বিকেলে উপজেলার পাতড্ডা বাজারে আয়োজিত বিশাল সমাবেশে বাতিসা ইউপি চেয়ারম্যান জিএম জাহিদ হোসেন টিপুর সভাপতিত্বে ও বাতিসা ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী খোরশেদ আলম মানিকের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ রহমত উল্লাহ বাবুল, পৌর মেয়র মিজানুর রহমান, কুমিল্লা জেলা পরিষদের সদস্য ভিপি ফারুক আহমেদ মিয়াজী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এবিএম এ বাহার, উপজেলা আ’লীগ নেতা আকতার হোসেন পাটোয়ারী, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক শাহজালাল মজুমদার, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য মাহবুবুল হক মোল্লা বাবলু, সদস্য আরিফুর রহমান টিপু, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, উপজেলা কৃষকলীগের প্রচার সম্পাদক হাজ্জী আবদুল করিম।
উজিরপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন খোরশেদ, কাশিনগর ইউপি চেয়ারম্যান মোশারেফ হোসেন, আলকরা ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম ফারুক হেলাল,মুন্সিরহাট ইউপি চেয়ারম্যান মাহফুজ আলম, চিওড়া ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ একরামুল হক,কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মাহবুব হোসেন মজুমদার, ঘোলপাশা ইউপি চেয়ারম্যান কাজী জাফর, জগন্নাথদীঘি ইউপি চেয়ারম্যান হাজী জানে আলম, চিওড়া ইউনিয়ান আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন। বাতিসা ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি আবদুর রহিম মজুমদার, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক তৌফিকুল ইসলাম সবুজ, যুগ্ম আহবায়ক কাউছার হানিফ শুভ, বাতিসা ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আফতাবুল ইসলাম মোল্লা,চিওড়া ইউনিয়ান আওয়ামীলীগ নেতা পেয়ার আহম্মদ খাঁন,চিওড়া ইউনিয়ান ছাত্রলীগের সভাপতি আবদুল্লা আল মামুন
বাতিসা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি তুরাজ মজুমদারসহ রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক,এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্হিত ছিলেন।


জানা গেছে, ২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে মাদক ব্যবসা ও অপরাধ কর্মকান্ডে বাধা দেয়ার জেরে চিওড়া ইউনিয়নের গুর্ণিশ করা গ্রামের আ’লীগ কর্মী রানাকে কুপিয়ে ও গুলি চালিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষের লোকজন। নিহত রানা ওই গ্রামের শহিদুল্লাহর পুত্র।এ ঘটনায় রানার মা রেহানা বেগম বাদি হয়ে আ’লীগ নেতা আবদুল হাই কানু, তার ছেলে গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া বিপ্লবসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। পুলিশ মামলার কয়েকজন আসামীকে গ্রেফতার শেষে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। কিন্তু আসামীরা জামিনে বেরিয়ে এসে রানার পরিবারকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।