জেলার খবর

মরহুম আক্কেল আলী তাং স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে দর্শক শুধু মাঠেই নয় গাছেও ছিল লক্ষ্যনীয়

আহমেদ কবিরঃ শেষ মুহূর্তে মরহুম আক্কেল আলী তালুকদার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলা মধ্যনগর ও তাহিরপুর জুড়ে খেলাপ্রেমীদের জ্বর বাধিয়ে দিয়েছে গতকাল শুক্রবার ফাইনাল খেলা দেখতে বংশিকুন্ডা মমিন উচ্চ বিদ্যালয়ের শুধু মাঠেই নয়, গাছেও ছিল দর্শকের উপচেপড়া ভিড় ।
রংচি ইয়াং স্পোর্টিং ক্লাব বনাম বাসাউরা ইয়াং স্পোর্টিং ক্লাবের খেলা উপভোগ করতে,দর্শকদের উপচেপড়া ভিড় মাঠ,রাস্তা। বংশিকুন্ডা মমিন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠের চারপাশ সহ মার্কেট,দালান,গাছের মাথায়,যে যেখানে পেরেছে সেখান থেকেই খেলা উপভোগ করেছেন।
তবে এই ফাইনাল খেলার,নির্ধারিত সময় খেলার পর গোল শুন্য ড্র হওয়ার পর,পেনাল্টির মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারন করার সিদ্ধান্ত নেযা হলেও উভয় দলই ৪টি করে গোল করে । এতেও খেলার ফলাফল নির্ধারন না হওয়ায় আবার পেলান্টির সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে-ও উভয় দলই ৩টি করে গোল করে। এতে মাঠে হাজার হাজার দর্শক এমনকি জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গাছের ডালে বসে খেলা উপভোগকারী দর্শকদের মাঝে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়।

সুনামগঞ্জ -১আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিয়ার মোয়াজ্জেম রতন এর নিরলস প্রচেষ্টা এবং টুর্নামেন্টের সফল আয়োজনে ধর্মপাশা উপজেলা প্রশাসন এবং রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গের সহযোগীতায়, ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ,সাধারন মানুষের আন্তরিকতায় টুর্নামেন্টটি ধর্মপাাশ ও তাহিরপুর উপজেলার হাওরাঞ্চল গুলোতে ছড়িয়েছে ক্রীড়াঙ্গনে উত্তাপ।
ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলার হাওরাঞ্চলের গ্রামে গ্রামে খেলা দেখার জন্য যুকব ও কিশোরদের আগ্রহ লক্ষ্যনীয় যুবক,। মাসব্যাপী মরহুম আক্কেল আলী তালুকদার স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার ফলে এটা প্রমানিত গোল্ডকাপ জ্বর বাধিয়ে দিয়েছে হাওরবাসীকে।
হাওর পাড়ের যুবকেরা সময় দিচ্ছে ক্রীড়ার মাঝে, ফলে মাদকের যে ভয়াল থাবা তা থেকে বিরত থাকার প্রেরনা এই খেলাধুলা ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানা সময়ে যুবকদের খেলার প্রতি আগ্রহী করে তোলার কথা বলেন যেন তারা মাদকের দিকে ধাবিত না হয়।মরহুম আক্কেল আলী স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলায়শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সমান সমান হওয়ায় খেলাটি হতে যাচ্ছে। হাওর অঞ্চলের হারিয়ে যাওয়া গ্রামের ফুটবলকে আবারো ফিরিয়ে আনলেন সুনাামগঞ্জ -১আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন। বংশিকুন্ডা মমিন উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে তা ব্যক্ত করেছেন স্থানীয় সাধারন মানুষ এই প্রতিবেদকের কাছে ।

Show More