আজকের কাগজ

BANGLADESHI Latest Online News

তুরস্ক থেকে T 300 MBRL কিনতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী

1 min read

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তুরস্ক হতে এক রেজিমেন্ট বা ১৮ টি T-300 MBRL কিনতে যাচ্ছে। MRLS টি গতবছরই পরিদর্শন করে সেনাবাহিনীর ডেলিগেশন টিম। গত ফেব্রুয়ারী মাসে সেনাবাহিনীর জন্য বেশ কিছু সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে বলে জানান সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ । ওই বক্তৃতায় এক রেজিমেন্ট টাইপ বি(১০০-২০০ কি.মি.) রকেট লঞ্চিং সিস্টেম ক্রয়ের ঘোষণা দিয়েছিলেন।এছাড়া সমরাস্ত্র প্রদর্শনীতেও টাইপ বি MRLS হিসেবে তুর্কিশ T-300 দেখানো হয়েছে।

এবছর ফেব্রুয়ারি মাসেও তুরস্কের রকেটসান এর নির্মিত বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম ডেলিগেট করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। সেনাবাহিনী ওই প্রতিষ্ঠান হতে বিভিন্ন সামরিক সরঞ্জাম ক্রয়ের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

টি-৩০০ MBRLS হলো তুরস্কের রকেট সান কতৃক ডেভেলপ কৃত ৩০০ মি.মি. মাল্টি ব্যারেল রকেট লঞ্চিং সিস্টেম যা ২০০২/৩ সালের দিকে সার্ভিসে আসে।১৯৯৫ সালের দিকে চীন তুরস্ককে জয়েন্টলি রকেট লাঞ্চার প্রডাকশনের জন্যে প্রস্তাব দেয়।পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে CPMIEC (Chinese Precision Machinery Import and Export Company) এর সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়। প্রথমদিকে চীনের সাথে যৌথ ভাবে তুরস্ক বানায় WS*1 রকেট লঞ্চার।পরবর্তীতে এর থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি নিয়ে টি-৩০০ MBRL বানানো হয় । 2000 সালে এর সর্বপ্রথম টেস্ট ফায়ার করা হয়। মাত্র ৭ বছরের মধ্যে তুরস্ক সেনাবাহিনী ৬ রেজিমেন্ট T-300 MBRLS সার্ভিসে আনতে সক্ষম হয়।

একেকটি রেজিমেন্টে ৯ টি করে লঞ্চিং ভেহিক্যল থাকে।রিলোডের জন্য থাকে ৯ টি ভেহিক্যল। এছাড়া থাকে একটি করে কমান্ড এন্ড কন্ট্রোল ভেহিক্যল।একবার ফায়ার করার পরে ২০ মিনিটের মধ্যে পুরো সিস্টেম রিলোড করা হয়।

প্রতিটি লঞ্চিং ভেহিক্যল ৪ টি করে TR-300 ৩০২ মি.মি রকেট ফায়ার করতে সক্ষম।এ রকেটগুলোও রকেট সান কতৃক বানানো। রকেট গুলো দৈর্ঘ্যে ৪.৭ মিটার লম্বা।এর ভর ৫২৪ কেজি। এর মধ্যে আছে ১৫০ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য। এর মধ্যে প্রায় ২০০০০ হাই এক্সপ্লোসিভ স্টিল বল বিদ্যমান। এরকেট গুলো শক্তিশালী সলিড প্রপেলান্ট মটোর ব্যবহার করে থাকে যা একে ম্যাক ৪.২ গতি তুলতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি ৩০ কিমি উচ্চতা পর্যন্ত যেতে পারে। রকেট গুলো প্রায় ৭০ মিটার এলাকা ধ্বংস করে দিতে সক্ষম।