চট্টগ্রামে ৩ ভবন লকডাউন

0

চট্টগ্রাম: করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে চট্টগ্রাম নগরীর তিনটা ভবন লকডাউন করেছে প্রশাসন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাতে কক্সবাজারে করোনাভাইরাস আক্রান্ত নারী চান্দগাঁও আবাসিক এলাকা ও কালামিয়া বাজার এলাকায় অবস্থান করায় দুই ভবনকে লকডাউন করা হয়েছে। এছাড়া বিদেশী নাগরিক হোম কোয়ারেন্টাইন না মানায় খুলশী আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডের একটি ভবন লকডাউন করা হয়।

চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতাউর রহমান খন্দকার জানান, রাতে নগরীর নিউ চান্দগাঁও আবাসিক এলাকার ৭ নম্বর সড়কের ৬৪ নম্বর ভবনটি লকডাউন করা হয়েছে। কক্সবাজারে প্রথম করোনা আক্রান্ত নারী দেশে ফিরেই চট্টগ্রামের চান্দগাঁওয়ে ওই ভবনের দোতলায় ছেলের বাসায় ওঠেন। সেখান থেকে কক্সবাজারে নিজের বাড়িতে যান। সেখানে তার শরীরের করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব শনাক্ত হয়েছে। বিষয়টি জানার পর ভবনটি লকডাউন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে নগরীর উত্তর খুলশী এলাকার ২ নং রোডের ৬১/সি নং বাসার ভবনটি লকডাউন করে হয়েছে। ওই ভবনের একটি ফ্ল্যাটের বাসিন্দা জাপানি নাগরিক আকিরো সাইতো হোম কোয়ারেন্টিন না মেনে কর্মস্থলে যাতায়াত করায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান কাট্টলী সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম।

এছাড়া কক্সবাজারে করোনাভাইরাস আক্রান্ত ওই নারী তার আরেক ছেলের বাড়ি নগরীর কালামিয়া বাজার এলাকায় অবস্থান করায় ওই বাড়িই লকডাউন করা হয়েছে বলে জানান চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সেখ ফজলে রাব্বি মিয়া।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ওই নারী রোগী গত ১৫ মার্চ ওমরা হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশে এসেছেন। ৬৫ বছর বয়সী ওই নারীর বাড়ি কক্সবাজারের চকরিয়ার খুটাখালীতে। আক্রান্ত ওই নারীর মাধ্যমে অনেকের মাঝে কোভিড-১৯ ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশংকা দেখা দিয়েছে। তাকে যেসব ডাক্তার-নার্স তাকে চিকিৎসা দিয়েছেন, তাদের সবাইকে কোয়েরেন্টাইনে থাকতে বলা হয়েছে বলে জানানকক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মহিউদ্দিন।

বিএনএ/মনির