পেয়াজের দুই আমদানিকারক এর জেল

1

জেলার খবরঃপেঁয়াজের দাম বাড়ানো সিন্ডিকেটের তালিকা প্রকাশ করার পরদিন দুই আমদানিকারককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর স্টেশন রোডের নুপুর মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের দণ্ড দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- জেএস ট্রেডার্সের সত্ত্বাধিকারী মিনহাজ উদ্দিন বাপ্পি ও এ হোসাইন ব্রাদার্সের মালিক আবুল হোসেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলাম জানান, নুপুর মার্কেটে ওই দুই প্রতিষ্টানে অভিযান চালানো হয়। তারা পেয়াজ বিক্রির বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও ভোক্তা অধিকার আইনে তাদের এই দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, সোমবার (৪ নভেম্বর) জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় যৌথ অনুসন্ধানের তথ্য প্রকাশ করে। যেখানে বলা হয়, ১২ থেকে ১৫ জনের একটি সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাড়ছে পেয়াজের দাম। এ সিন্ডিকেটের কারসাজিতে ৪২ টাকা দরে আমদানীকৃত পেঁয়াজ পাইকারী বাজার পর্যায়ে ৯০ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সিন্ডিকেটের সদস্যরা হলেন টেকনাফ বন্দর, টেকনাফ উপজেলা, কক্সবাজার সদর এবং চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ভিত্তিক পেঁয়াজ আমদানিকারক, সিএন্ডএফ, আড়তদার ও বিক্রেতা।

এদিন সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত সদস্যদের নামও জানানো হয় প্রশাসন থেকে।

আমদানিকারকদের মধ্যে সিন্ডিকেটে আছেন টেকনাফের সজিব, মম (মগ), জহির, সাদ্দাম।

বিক্রেতাদের মধ্যে টেকনাফের ফোরকান, গফুর, মিন্টু, খালেক, টিপুর নাম আছে। এছাড়া টেকনাফের শফি, কাদের এ চক্রের সাথে জড়িত। চট্টগ্রাম খাতুনগঞ্জের মেসার্স আজমীর ভান্ডার, মেসার্স আল্লাহ দান স্টোর, নুপুর মার্কেটের মেসার্স সৌরভ এন্টারপ্রাইজ, ঘোষাল মার্কেটের এ হোসেন ব্রাদাস কারসাজি করে দাম বাড়িয়ে নিচ্ছে।

বিএনএনিউজ২৪.কম