তাহিরপুর সীমান্তে জাতীয় জেল হত্যা দিবস পালিত

2

তাহিরপুর প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বাগলী বাজারে, আওয়ামীলীগ ও আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে বাগলী বাজার সমিতি অফিসে কক্ষে, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মানিত সদস্য সিদ্দিকুর রহমান এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভার শুরুতেই জাতীয় চার নেতার রুহের মাগফেরাত কামনায় ২মিনিট নীরবতা পালন করা হয় ।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্তিত ছিলেন সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সম্মানিত সদস্য, তাহিরপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি, তাহিরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি, তাহিরপুর উপজেলা সদর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সম্মানিত সদস্য মোতাহার হুসেন আখঞ্জী (শামীম )
বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তারা মিয়া উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক আআলহাজ্ব জিল্লুর রহমান, তাহিরপুর উপজেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন বিপক, সাবেক উপজেলা যুবলীগের যুগ্ন আহবায়ক সেলিম আখঞ্জী উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মানিত সদস্য শাহজাহান খন্দকার, তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন আহবায়ক সেলিম আখঞ্জী,আওয়ামিলীগ নেতা শাহজাহান চৌধুরী, আওয়ামিলীগ নেতা রজব আলী, আওয়ামিলীগ নেতা নজরুল ইসলাম, আওয়ামিলীগ নেতা নজরুল ইসলাম, আওয়ামিলীগ নেতা কামরুল ইসলাম প্রমুখ।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামিলীগ ও আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতাকর্মীগন
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহতাহার হোসেন আখঞ্জী বলেন আজকের এই শোককে শক্তিতে পরিনত করে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল ভেদাবেদ ভূলে গিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে ।

উনি বলেন- ঘাতকেরা জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে ইতিহাসের এক কলঙ্কময় অধ্যায় রচনা করেছে। জাতিকে মেধা শূন্য করার জন্যই এটি ‘৭১ সালের পরাজিত শক্তির সুদূরপ্রসারীদের পরিকল্পনা। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার খুনের নেপথ্যে অপশক্তির চিন্তা ছিল জাতীয় চার নেতা জীবিত থাকলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকেই যাবে। সে কারনেই চার নেতাকে হত্যা করা হয়েছিল। তিনি আরোও বলেন যে কারাগারে পৃথিবীর সব মানুষ নিশ্চিত নিরাপত্তা পায়, সেই কারাগারেই ঘাতকেরা ভিতরে ঢুকে এই জাতীয় চার নেতাকে ব্রাশফায়ার করে নৃশংসভাবে হত্যা করে। সেদিন জাতি হারিয়েছিল দেশের সূর্যসন্তানদের আর আজ আমরা হারিয়েছি এই দেশের শ্রেষ্ট্র বীরদের।