সাংবাদিক আমিনুল এর উপর যুদ্ধাপরাধী মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করলো মুক্তিযোদ্ধা সুজাফর আলী

1

তাহিরপুর প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জ তাহিরপুর প্রেসক্লাব সভাপতি, সাংবাদিক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ভূয়া ও মিথ্যা তথ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধী মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করলেন মুক্তিযোদ্ধা সুজাফর আলী।

বিভিন্ন তথ্য সত্রে জানাযায়,গত ২০ আগস্ট তাহিরপুর উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের দুধের আউটা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা সুজাফর আলী,সুনামগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মানবতাবিরোধী অপরাধে মামলা দায়ের করেণ। মামলার পরপরই তাহিরপুর প্রেসক্লাবে উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকরা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে প্রতিবাদ সভা করেন এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের সংবাদ প্রকাশিত হয় বিভিন্ন সংবাদ পত্রে ।

প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত উপজেলার কর্মরত সাংবাদিকরা বলেন, সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম ছাত্র জীবন থেকেই আওয়ামীলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। উনি (১৯৮৮-১৯৯০,১৯৯০-২০১)খ্রিস্টাব্দে দু-দুবার উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

জানাযায় উনি গত ২০০৩ সালে আওয়ামীলীগের তাহিরপুর উপজেলা শাখা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।এবং২০১৪ সালে বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ তাহিরপুর উপজেলা উপজেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে সৎ ও আদর্শের সাথে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে অদ্যবধি দায়িত্ব পালন করছেন।

মিথ্যা মামলায় অভিযুক্ত সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম জন্মসনদ ও এএসসি পরীক্ষার সনদ অনুযায়ী তাঁর জন্ম তারিখ পহেলা আগস্ট ১৯৭১ সাল। ১৯৭১ সালে যখন পাকিস্থানী হানাদারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয় তখন উনি ৫মাসের শিশু ।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন যুদ্ধকালীন সময়ের একজন শিশুর উপর মিথ্যা অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা সুজাফর আলী কর্তৃক যুদ্ধাপরাধের দায়েরকৃত মামলাটি অবান্তর ও উদ্যেশ্য প্রনোদিত এবং হয়রানীমূলক ।

এছাড়াও মিথ্যা অভিযোগে যুদ্বাপরাধী মামলা নিয়ে তামাশা করার পিছনে কে ইন্ধনদাতা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্নভাবে স্থানীয় সচেতন মহল ।

বিভিন্ন তথ্য সুত্রে জানাযায় এসব বিষয়ের প্রেক্ষিতে মুক্তিযোদ্ধা সুজাফর আলী কর্তৃক দায়েরকৃত মামলার সাথে তাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই বলেও নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করেছেন মুক্তিযোদ্ধা সংগটনের জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সাংবাদিক আমিনুল এর উপর যুদ্ধাপরাধী মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করলো মুক্তিযোদ্ধা সুজাফর আলী

স্থানীয় সচেতন মহল ও বিভিন্ন পত্র পত্রিকা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম পেইজ বুকে আলোচনা সমালোচনার প্রেক্ষিতে গত ২ সেপ্টেম্বর মুক্তিযোদ্ধা সুজাফর আলী ও তার মেয়ে সুফিয়া আনাছসহ আমল গ্রহন কারী জুডিসয়িাল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে মামলার নথি উপস্থাপন করে সাংবাদিক আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাটি তথ্যগত ভুল সংযোজিত হওয়ায় বিনা বিচারে প্রত্যাহারের আবেদন করেন মুক্তিযোদ্ধা সুজাফর আলী ।

এবষিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সুজাফর আলী গণমাধ্যম কে বলেন আমার লেখাপড়া না থাকায় এবং একজন গরীব মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে, আমাকে ভূল তথ্যদিয়ে একটি পক্ষ মামলাটি করিয়েছে। আমি পরবর্তীতে সব কিছু বুজতে পেরে আমার মেয়েকে নিয়ে আদালতে এসে মামলাটি বিনা বিচারে প্রত্যাহারের আবেদন করি।

এ বিষয়ে মুক্তিযোদ্ধা সুজাফর আলীর মেয়ে সুফিয়া গণমাধ্যম কে বলেন আমি জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সম্পাদক মহোদয়ের সাথে কথা বলে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসাবে প্ররোচনাকারী ব্যাক্তির বিরুদ্ধে দলীয় শৃংখরাবিরোধী আচরণ ও একজন বয়স্ক মুক্তিযোদ্ধাকে দেশজুড়ে সমালোচিত করার ঘৃন্যতম অপরাধের বিচার চেয়ে লেখিত আবেদন করেছি।