ভিক্ষাবৃত্তিকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করেন শারীরিক প্রতিবন্ধী বিক্রম রবি দাস

2

এম এ আলম, চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধিঃঃ ভিক্ষাবৃত্তিকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করেন শারীরিক প্রতিবন্ধী বিক্রম রবি দাস (৩৯)। তিনি বর্তমান ঠিকানা চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার পূর্ব চান্দিশকরা গ্রামের মরহুম রাধা রবি দাসের পুত্র। বিক্রম রবি দাস, জুতা সেলাই করেই ছয় সদস্যের সংসার চালান, তবুও রবি দাস নিজেকে সুখি মানুষ মনে করেন, এজন্য বাজারের ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ তাকে অভিনন্দন জানান। বিক্রম রবি দাসের সাথে কথায় বলয়ে জানা গেছে, বিক্রম রবি দাস ১৯৯২ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেন। তার পর ২০০২ সালে তিনি কুমিল্লার কোতোয়ালি থানার পালপাড়া এলাকার শিল্পী রানীকে বিয়ে করেন। ২০০৯ সালে জন্মস্থান চাঁদপুর শহর ছেড়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে চৌদ্দগ্রামে চলে আসেন। চৌদ্দগ্রাম বাজারে গাজী টাওয়ারের পূর্ব পাশে বসে তিনি জুতা সেলাই করেন।

প্রতিদিনের আয় দিয়েই তিনি সংসার চালান। বর্তমানে তিনি দুই ছেলে ও দুই মেয়ে সন্তানের জনক। এর মধ্যে তাঁর এক মেয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধী। তিনজন পড়ালেখা করে। তিনি নিয়মিত প্রতিবন্ধী ভাতাও পান। এ ব্যাপারে গতকাল বিক্রম রবি দাস বলেন, বর্তমান সমাজে প্রতিবন্ধী ও শারীরিকভাবে সক্ষম কিছু মানুষ ভিক্ষা করে। সব ধর্মেই ভিক্ষাবৃত্তিকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। কর্ম করে জীবিকা নির্বাহ করা সবচেয়ে উত্তম। তাই ভিক্ষাবৃত্তিকে ঘৃণা করেই জুতা সেলাইয়ের কাজে জড়িয়ে পড়ি। এতে স্ত্রী শিল্পী রানীও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। তবে স্থায়ীভাবে একটি দোকান দিয়ে জুতা সেলাই করতে পারলে ভালো লাগতো। এজন্য আমি সরকারের নিকট সহযোগিতা কামনা করি।