প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন হচ্ছে ২৯৪ প্রতিষ্ঠান

0

জাতীয়:: করোনা ভাইরাস (কভিড-১৯) মোকাবিলায় সারা দেশে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনের জন্য ২৯৪টি প্রতিষ্ঠান প্রস্তুত করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে ১৬ হাজার ৯৪১ জনকে সেবা দেওয়া যাবে।‌ এছাড়া আইসোলেশনের জন্য ৪ হাজার ৫৩৯টি শয্যা প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ১ হাজার ৫০টি শয্যা আছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীর কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল, রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর শাখা, যাত্রাবাড়ীর সাজেদা ফাউন্ডেশন হাসপাতলে ২৯টি আইসিইউ প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি আরও ১৬টি আইসিইউ শয্যা প্রস্তুতির কাজ চলছে। কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে ৫টি ডায়ালাইসিস শয্যা প্রস্তুত আছে। আশকোনা হজ ক্যাম্পে সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় ৩০০ জনকে কোয়ারেন্টিনে রাখার ব্যবস্থা আছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হোম কোয়ারেন্টিনেসহ হাসপাতাল ও অন্যান্য কোয়ারেন্টিনে আছেন ৬ হাজার ২৪২ জন। গত ২১ জানুয়ারি থেকে মোট কোয়ারেন্টিনে আছেন ৩৭ হাজার ৩৮ জন। কোয়ারেন্টিন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন মোট ৯ হাজার ৮৫৮ জন। বর্তমানে কোয়ারেন্টিনে আছেন ২৭ হাজার ১৮০ জন।

আইইডিসিআরের তথ্য উল্লেখ করে ওই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনা ভাইরাস (কভিড-১৯) আক্রান্ত সন্দেহে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৭১২ জনের। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৯২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষায় পজিটিভ এসেছেন ৬ জন। এরমধ্যে সবশেষ যিনি মারা গেছেন তার বয়স ৭০ বছরের বেশি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে একজন মারা গেছেন। এ পর্যন্ত মোট ৩৯ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছেন। এদের মধ্যে মারা গেছেন ৪ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি চলে গেছেন ৫ জন। এছাড়া এ পর্যন্ত সর্বমোট ২৬৭ জন আইসোলেশনে ছিলেন। এদের মধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ২২৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেওয়া হয়েছে ৪০ জনকে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে আছেন ৪৬ জন।

পিবিএ/এমআর