মা-ছেলে কোচিং সেন্টারে যাচ্ছিলেন

1

অনলাইন ডেস্কঃ দুই ছেলের মধ্যে বড় ছেলে আতিকুল হক সুমন। প্রতিদিনের মতো ছেলেকে স্কুলে যাওয়ার আগে প্রাইভেট শিক্ষকের বাসায় নিয়ে যাচ্ছিলেন আতিকুরের মা জুলেখা খানম ফারজানা। বাসা থেকে বের হয়ে পাথরঘাটা বড়ুয়া বিল্ডং এর পাশে আসতেই কিছু বুঝার আগেই ধসে পরে দেয়াল। আর নিমিশেই শেষ হয়ে যায় মা ছেলের প্রাণ। পরে থাকে নিথর দুটি দেহ।

রোববার (১৭ নভেম্বর) সকাল ৯টায় চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে মা-ছেলে ফারজানা (৩০) ও তার ছেলে আতিকুল হক সুমন (৮) রয়েছে। এঘটনায় অন্তত আরো ১০ জন আহত হয়েছে। আহতদের সকলকেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেলে ফারজানার স্বামী এডভোকেট আতাউর রহমান তাদের ছোট ছেলেকে নিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেলে লাশ ঘরের পাশে কাঁদতে কাঁদতে বার বার জ্ঞান হারিয়ে ফেলছিলেন।

আতাউর রহমানের বন্ধু লোকমান হোসেন বলেন, স্বামী আতাউর রহমান ও দুই সন্তানকে নিয়ে পাথরঘাটা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন ফারজানা। নিহত ছেলে আতিকুল হক সুমন সেন্ট প্লাসিডস স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়তো। ছোট ছেলে আতিফুর রহমান (৫) পড়ে নার্সারিতে। ফারজানার স্বামী আতাউর রহমান চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী।

তিনি আরো বলেন, ফারজানা ম্যাডাম প্রতিদিন দুই ছেলেকে স্কুলে আনা-নেওয়া করেন। বাসার পাশেই বড় ছেলে আতিকুলকে একজন প্রাইভেট শিক্ষকের বাসায় পড়াতে নিয়ে যেতেন। প্রতিদিনের মতো রোববার সকালে আতিফুরকে স্কুলে দিয়ে এসে বড় ছেলে আতিকুল হককে প্রাইভেট শিক্ষকের বাসায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। প্রাইভেট শিক্ষকের বাসা কাছে হওয়াতে হেঁটে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে দুর্ঘটনায় মারা যান মা-ছেলে।

বিএনএ নিউজ২৪/জেবি,এসজিএন, এহক।