ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের মধ্যে ৫ জনের পরিচয় মিলেছে

2

নলাইন ডেস্কঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় যাত্রীবাহী দুই ট্রেনের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষে ১৭ জন নিহত হয়েছে।আহত হয়েছে আরও অনেকে। মঙ্গলবার(১২ নভেম্বর) ভোরে উপজেলার মন্দভাগ রেলওয়ে স্টেশনের ক্রসিংয়ে আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও তূর্ণা নীশিতা ট্রেনের মধ্যে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।ঘটনার পর থেকেই চট্টগ্রামের সঙ্গে সিলেট ও ঢাকার রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তাৎক্ষনিকভাবে হতাহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশের ওসি শ্যামল কান্তি দাস।তিনি জানান, সিলেট থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রামগামী আন্তঃনগর তূর্ণা নিশিতা এক্সপ্রেস মন্দভাগ রেলওয়ে স্টেশনে আসা মাত্রই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে দুই ট্রেনেরই কয়েকটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে যায়।এতে ঘটনাস্থলেই ৯ জন এবং কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ৩ জন ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১ জন মারা যান।দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বগির নিচে আরও মরদেহ থাকতে পারে। আখাউড়া থেকে রিলিফ ট্রেন দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে। উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে।

জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খান জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে তুর্ণা নিশীথা ট্রেনটি সিগন্যাল অমান্য করে লাইনে ঢুকে উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনটিকে ধাক্কা দিয়েছে।নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করে প্রত্যেক পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা করে দিয়ে মরদেহ বাড়িতে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে ইতোমধ্যে ৩টি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে ও জেলা প্রশাসন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উদয়ন এক্সপ্রেসের মাঝ বরাবর দুইটি বগি দুমড়ে মুচড়ে রয়েছে। সেখানে কেউ আটকে পড়ে আছে কিনা, তা বোঝার চেষ্টা করছেন উদ্ধারকর্মীরা।দুর্ঘটনাটি ঘটার সময় ট্রেন দুইটি চলন্ত অবস্থায় ছিল।

bnanews24.com