বিমানবন্দর এলাকায় সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে পুলিশ

1

ঢাকা: বিমানবন্দর গোল চত্বরের পূর্ব পাশে বাবুস সালাম মসজিদ মাদরাসা কমপ্লেক্স মার্কেট দখল নিতে স্থানীয় কাউন্সিলর ও বিমানবন্দর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আনিসুর রহমান নাঈমের নেতৃত্বে সকাল ৮.৩০ মিনিটে ২৫-৩০ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী হামলা চালায়। মার্কেট দখল নিতে দোকান মালিক ও কর্মচারীদের উপর গুলিবর্ষণ করা হয়। এতে তিনজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গুরুত্বর আহত একজনকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মার্কেটের ব্যবসায়ী মোবারক প্রেস বাংলা এজেন্সিকে( পিবিএ) জানান, আজ সকাল ৮.৩০ মিনিটে স্থানীয় কাউন্সিলর আনিসুর রহমান নাঈমের নেতৃত্বে মার্কেট দখল নিতে দুই দফা হামলা চালায়। প্রথম দফা হামলার সময় পুলিশ উপস্থিত থাকায় সন্ত্রাসীরা ফাঁকা গুলি চালিয়ে চলে যায়। পরে আবার আধাঘন্টা পর পুলিশ কিছুটা দূরে থাকলে আবারও হামলা চালায়। এতে তিনজন আহত হয়। গুরুত্বর আহত একজনকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ব্যবসায়ী মোবারক বলেন, গত তিন বছর আগে মার্কেটটি ওয়াকফ ঘোষণা করে হাইকোর্ট। মার্কেটের ২০টি দোকান রয়েছে। এর ভাড়া সরকারকে দেয়ার কথা কিন্তু বিমানবন্দর থানা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আনিসুর রহমান নাঈম জোর করে মার্কেটের ভাড়া নিয়ে যায়। প্রায় আড়াই কোটি টাকা তারা জোর করে এই পর্যন্ত নিয়ে গেছে। মার্কেটের ব্যবসায়িরা প্রশাসনকে আবেদন করে মার্কেটের ভাড়া নেয়ার জন্য। কর্তপক্ষ বলেছে আজ রোববার প্রশাসনের পক্ষ থেকে লোক আসবে কিন্তু কাউন্সিলর তাদের জানিয়ে দেয় মার্কেটের ভাড়া তাদের দিতে হবে। এই অবস্থায় আজ সকাল ৮.৩০ মিনিটে ২৫-৩০ জন সন্ত্রাসী হামলা চালায়। এবং কয়েক রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে । পুলিশ উপস্থিত হওয়ায় সন্ত্রসীরা চলে যায়। আবার ৯.৩০ মিনিটে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এতে তিনজন আহত হয়। পরে পুলিশ এসে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিয়ে মার্কেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মার্কেটের সামনে পুলিশ অবস্থান করছে।

বিমানবন্দর থানার ওসি নূরই-আজম পিবিএকে জানান, এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এখানে কোন গোলাগুলির ঘটনা ঘটেনি।

এই বিষয়ে জানতে পিবিএর পক্ষ থেকে কাউন্সিলর আনিসুর রহমানের নাঈমের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় । কিন্তু তিনি মোবাইল ফোন রিসিভ করেননি। অন্যদিকে আহত প্রিন্সের মোবাইলেও কল করা হলেও তিনিও মোবাইল ফোন রিসিভ করেন নি।

ডিএমপির উত্তরা বিভাগের ডিসি নাবিদ কামাল শৈবাল পিবিএকে জানান, বিমানবন্দর এলাকায় সংঘর্ষে এক জন আহত হয় তবে গোলাগুলির কোন ঘটনা ঘটেনি।

পিবিএ