বাংলাদেশের জলসীমায় ইলিশ শিকার, ১৫ ভারতীয় জেলে আটক

1

আন্তর্জাতিক:: বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ ধরার অভিযোগে ১৫ ভারতীয় জেলেকে আটক করেছে নৌবাহিনী।

গতকাল মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাতে মংলা বন্দরের অদূরে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকা থেকে আটক করা হয় এসব জেলেদের।

এই ঘটনায় বিএনএস মোংলা নৌঘাটির পেটি অফিসার মো. আবুল মঞ্জুর বাদী হয়ে আটককৃত জেলেদের বিরুদ্ধে ১৮৯৩ সালের সামুদ্রিক মৎস্য অধ্যাদেশের ২২ ধারায় মংলা থানায় একটি মামলা করেছেন। মঙ্গলবার রাতে আটককৃত জেলেদের বুধবার সকালে বাগেরহাটের মোংলা থানায় হস্তান্তর করেছে নৌবাহিনী। মোংলা থানা পুলিশ বুধবার দুপুরে আটককৃতদের বাগেরহাট আদালতে পাঠালে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন।

আটককৃত ১৫ জেলেরা হলেন, ভোলানাথ দাস (৬০), মিন্টু দাস (২৫), বাবুল সরকার (৪২), উত্তম দাস (২৬), কিরণ দাস (৬৫), রাজেশ দাস (৩৩), কার্ত্তিক দাস (৪৫), আনন্দ দাস (৫০), নেপাল দাস (২৬), বাসুদেব দাস (৩০), সূর্য্য দাস (২৬), উত্তম দাস (৩৫), সোনারাম দাস (৫১), বিমল দাস (৪৮) ও পিল্টন দাস (২৩)। এদের বাড়ি ভারতের পশ্চিম বঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁকদ্বিপ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী পিবিএ’কে জানান, মঙ্গলবার রাতে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে বয়া এলাকায় নিয়মিত টহল দেয়ার সময় নৌবাহিনীর জাহাজ বিএনএস নিশানের সদস্যরা বাংলাদেশ জলসীমায় একটি ভারতীয় ফিশিং ট্রলার দেখতে পায়। পরে তারা সেখানে গিয়ে অবৈধ ভাবে বাংলাদেশ জলসীমায় অনুপ্রবেশ করে মাছ শিকারের অভিযোগে এফবি মা লক্ষী নামের মাছ বোঝাই ওই ফিশিং ট্রলারসহ ১৫ জন ভারতীয় জেলেকে আটক করে।

বঙ্গোপসাগর থেকে ফিরে আটক হওয়া ওই জেলেদের বুধবার সকালে মোংলা থানায় হস্তান্তর করে বিএনএস মোংলা নৌঘাটির সদস্যরা। এই ঘটনায় নৌবাহিনী আটককৃত জেলেদের বিরুদ্ধে ১৮৯৩ সালের সামুদ্রিক মৎস্য অধ্যাদেশের ২২ ধারায় মংলা থানায় একটি মামলা করেছে। দুপুরে তাদের আদালতের নির্দেশে বাগেরহাট কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পিবিএ