৩০ দিন বাড়ল ভ্যাট নিবন্ধনের সময়

1

অর্থনীতি ও বাণিজ্যঃঃ আরো ৩০ দিন বাড়ানো হয়েছে অনলাইন ভ্যাট নিবন্ধনের সময় ৯ সংখ্যার স্থলে ১৩ সংখ্যার নিবন্ধন।

সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, অনলাইন ভ্যাট নিবন্ধনের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর। আগের ঘোষণা অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) ভ্যাট নিবন্ধনের শেষ দিন ছিল।

তবে ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজসহ ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর অনুরোধে ভ্যাট নিবন্ধনের সময় এক মাস বাড়ানো হয়েছে বলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) ঊর্ধ্বতন একটি সূত্র রাইজিংবিডিকে নিশ্চিত করেছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত অনলাইন নিবন্ধন হালনাগাদ করেছে প্রায় ৮৩ হাজার ৪০০ প্রতিষ্ঠান।

এর আগে নিবন্ধন হালনাগাদ করার (৯ সংখ্যার স্থলে ১৩ সংখ্যার নিবন্ধন) জন্য সময়সীমা এক দফায় বাড়ানো হয়েছিল।

এ বিষয়ে এনবিআরের ভ্যাট অনলাইন প্রকল্পের পরিচালক সৈয়দ মুশফিকুর রহমান বলেন, এর আগে ৯ সংখ্যার নিবন্ধন নিয়েছিল ১ লাখ ৭২ হাজার প্রতিষ্ঠান। কিছু প্রতিষ্ঠানের নামে ভুয়া নিবন্ধন হয়েছিল। এখনো সক্ষম অনেক প্রতিষ্ঠান নিবন্ধনের আওতায় আসেনি। ফলে পরবর্তী সময়ে ব্যবসায়িক কার্যক্রম কিংবা আমদানি-রপ্তানিতে সমস্যায় পড়তে পারে।

চলতি বছরের জুলাই থেকে নতুন ভ্যাট আইন কার্যকর করেছে। নতুন আইন অনুযায়ী, অনলাইনে নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রতি মাসে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে রিটার্ন দাখিল করতে হবে। এদিকে, ব্যবসায়ীরা নতুন পদ্ধতির নিবন্ধনে অনেক জটিলতায় পড়ছেন বলে অভিযোগ করছেন। আবেদনের তিন কার্যদিবসের মধ্যে নিবন্ধন দেয়ার কথা থাকলেও অনেক সময় এক মাস পেরিয়ে যায়।

এমন পরিস্থিতিতে ভ্যাট নিবন্ধনে হয়রানি না করা কিংবা অহেতুক দেরি না করতে মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলোকে ইতিমধ্যে নির্দেশনা দিয়েছে এনবিআর।

এনবিআরের নির্দেশনায় বলা হয়, আবেদনের পর তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রম যাচাই করে নিবন্ধন দেয়া কিংবা না দেয়ার ক্ষেত্রে যথাযথ কারণ জনাতে মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। অন্যথায়, দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারিও দেয়া হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন না নিলে ব্যবসায়ীদের ১০ হাজার টাকা জরিমানার ক্ষেত্রে ছাড় দেয়া হবে না বলেও জানিয়েছে এনবিআর। এছাড়া, ভ্যাট আহরণ বাড়ানো ও স্বচ্ছতা আনতে দাখিলপত্র (ভ্যাট রিটার্ন) জমার দেয়ার ক্ষেত্রেও কঠোরতা অবলম্বন করা হবে।

নিবন্ধনহীন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ব্যাংকগুলো কোনো ধরনের ঋণপত্র ইস্যু করতে পারবে না। ফলে আটকে যাবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। কোনো ধরনের দরপত্র কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে না। শুল্ক স্টেশনগুলোতেও এক ধরনের ‘কালো তালিকাভুক্ত’ হয়ে যাবে।

পিবিএ