কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে চুরি ও ধর্ষণের অভিযোগে আটক দুই

অনলাইন ডেস্কঃ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চুরির দায়ে এবং ধর্ষণের অভিযোগে পৃথকভাবে ২ জনকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রবিবার (১ ডিসেম্বর) দুপুর ২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন শেখ মুজিবুর রহমান হলে জন্য ব্যবহৃত টাইলস চুরির জন্য কাওছার হোসেনকে ও ২ টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নং গেটে ধর্ষণের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসের হেলপার মোঃ মুজিবুরকে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

কাওছার হোসেন (৩০) দুপুর ২ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন শেখ মুজিবুর রহমান হলে জন্য ব্যবহৃত টাইলস চুরি করে নির্মাণাধীন হল সংলগ্ন আব্দুল মালেক ছাত্রাবাসে ভিতর দিয়ে ৩ প্যাকেট টাইলস নিয়ে যাওয়ার সময় উক্ত ছাত্রাবাসে শিক্ষার্থীদের হাতে ধরা পড়ে। বিষয়টি শিক্ষার্থীরা তাৎক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে উক্ত ছাত্রাবাসে পুলিশ পাঠানো হয়। এরপর শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

অন্যদিকে দুপুর ২ টা ৩০ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নং গেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসের হেলপার মোঃ মুজিবুরকে(৪০) বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে ৫ বছরের শিশু নাজমাকে (ছদ্মনাম) (০৭) ধর্ষণের অভিযোগে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

জানা গেছে মোঃ কাওসার হোসেন ত্রিশাল চরপাড়ার আব্দুল লতিফের ছেলে। চুরি করতে গিয়ে ধরা পরার পর শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে তার সহকর্মী রুবেলের নাম প্রকাশ করলেও তাকে পাওয়া যায়নি। দিনের বেলা চুরির মত এমন অপ্রত্যাশিত ঘটনা কিভাবে ঘটছে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ভাওয়াল কনস্ট্রাকশনের ম্যানেজার বলেন,

সাধারণত দিনের বেলা আমাদের কাজের জন্য ব্যবহৃত মালামাল সমূহ বাইরে থাকে। মালামাল সমূহ রাতে দেখেশুনে রাখা হয়। আমি আজ দুপুরে খাইতে গেছিলাম, তখন এই চুরির ঘটনা ঘটেছে। দিনে কে বা কারা চুরি করল এই বিষয়ে আমি দায়বদ্ধ নই।

অন্যদিকে বাসের হেলপার মোঃ মুজিবুর ত্রিশাল থানার দরিরামপুর গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসের হেলপার। বেলা দুইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের এক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে তাকে শিশু নাজমার (ছদ্মনাম) সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় দেখলে তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানানো হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে প্রাথমিক আটক করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর উজ্জ্বল কুমার প্রধান জানান ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় প্রাথমিকভাবে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে। নাজমার (ছদ্মনাম) বাবার সাথে আলোচনা করে মামলা যেভাবে করলে শক্তিশালী হয় সেভাবে দায়ের করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত এস আই মলয় চক্রবর্তী জানান চুরি দায়ে অভিযুক্ত কাওসার কে ত্রিশাল থানায় পরবতী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে। শিশু ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত মুজিবুরের বিরুদ্ধে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

পিবিএ/আশিক আরেফীন/বিএইচ

সংবাদকর্মি নিয়োগ চলছেঃ-

দেশের সকল জেলা উপজেলাইয় সংবাদকর্মি নিয়োগ চলছে । আমাদের সাথে কাজ করতে সরাসরি যোগাযুগ করুন ০১৭১১০০০২১৪